করের জগতে
একটা ট্যাক্স ক্যালকুলেটর, একজন CA পার্টনার, আর বোরিং-কিন্তু-লাভজনক জিনিসের আবিষ্কার
১
Upwork-এ একটা জব পোস্ট। ক্লায়েন্ট ঢাকা থেকে। টাইটেল: "Tax Calculator Web App for Accounting Firm."
জাহিদ পোস্টটা দুবার পড়ল। ট্যাক্স ক্যালকুলেটর। ওয়েব অ্যাপ। অ্যাকাউন্টিং ফার্ম। তিনটে শব্দ। তিনটেই বোরিং।
কিন্তু বাজেটটা বোরিং না। $500। ফিক্সড প্রাইস। ষাট হাজার টাকা।
জাহিদের এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রজেক্ট ছিল $180। একটা পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট। $500 মানে তার আগের সব প্রজেক্টের চেয়ে বড়। এক লাফে।
সে প্রপোজাল লিখল। সাবধানে। ক্লায়েন্টের requirement পড়ে একটা একটা করে উত্তর দিল। পাঠিয়ে দিল। তারপর অপেক্ষা।
২
দুদিন পর রিপ্লাই এল। "Can we have a Zoom call?"
সন্ধ্যা সাতটায় কল। জাহিদ আধা ঘণ্টা আগে থেকে তৈরি হলো। শার্ট পরল। ব্যাকগ্রাউন্ডে দেয়ালের দিকে ক্যামেরা ঘোরাল, যাতে পেছনে বিছানার কাপড় না দেখা যায়।
কল কানেক্ট হলো। স্ক্রিনে একজন মানুষ। চল্লিশ-পঁয়তাল্লিশ বছর বয়স। চশমা। পেছনে একটা বুকশেলফ, ট্যাক্স আইনের বই সারি সারি। নামের নিচে লেখা: "Rafiq Ahmed, FCA, Partner, Ahmed & Associates."
FCA। Fellow Chartered Accountant। পার্ট ফোর্টি টু-তে জাহিদ CA নিয়ে যা শিখেছে, সেটা এখন সামনে বসে আছে। রক্তমাংসের একজন CA।
৩
রফিক সাহেব বাংলায় শুরু করলেন। স্বস্তি।
"জাহিদ, তোমার প্রপোজাল পড়লাম। শুধু ক্যালকুলেটর না, আমাদের দরকার একটা ছোট পোর্টাল। ক্লায়েন্টরা লগইন করবে, আয়ের তথ্য দেবে, সিস্টেম অটোমেটিক ট্যাক্স ক্যালকুলেট করবে। আমরা রিভিউ করে রিটার্ন ফাইল করব।"
জাহিদ মাথা নাড়ল। "করতে পারব।"
রফিক সাহেব হাসলেন। "তুমি কোডিং জানো, সেটা বুঝতে পারছি। কিন্তু বাংলাদেশের ট্যাক্স সিস্টেম জানো?"
"মোটামুটি।"
"মোটামুটি দিয়ে ট্যাক্স সফটওয়্যার হয় না। একটা ভুল হলে ক্লায়েন্টের লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে। তোমাকে ট্যাক্স আইন পড়তে হবে।"
ষাট হাজার টাকা। মায়ের জন্য একটা ভালো শাড়ি, মিমের স্কুলের ছয় মাসের বেতন, ল্যাপটপের EMI তিন মাস। জাহিদ বলল, "পড়ব। কতদিন সময় দেবেন?"
"ছয় সপ্তাহ। প্রথম দুই সপ্তাহ ট্যাক্স সিস্টেম বোঝো। আমি ম্যাটেরিয়াল পাঠাব। বাকি চার সপ্তাহ ডেভেলপমেন্ট।"
৪
রফিক সাহেব যা পাঠালেন, সেটা জাহিদের চোখ খুলে দিল।
আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪। বাংলাদেশের ইনকাম ট্যাক্সের মূল আইন। চল্লিশ বছর পুরনো। মূল্য সংযোজন কর আইন, ২০১২। ভ্যাট। প্রতিটা পণ্য কেনাবেচায় সরকার ভ্যাট নেয়। হার পনেরো পার্সেন্ট। দোকানে চা খেলে ভ্যাট, জামা কিনলে ভ্যাট, মোবাইল রিচার্জ করলে ভ্যাট। কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯। আমদানি-রপ্তানিতে শুল্ক। গাড়ি আমদানিতে শুল্ক তিনশো পার্সেন্ট পর্যন্ত।
প্রথম দিন দশ পাতা পড়ে মাথা ধরে গেল। আইনি ভাষা। "করদাতা," "করবর্ষ," "উৎসে কর কর্তন," "ন্যূনতম কর।" প্রতিটা শব্দের একটা নির্দিষ্ট আইনি অর্থ, সাধারণ অর্থ থেকে আলাদা।
কিন্তু জাহিদ পড়তে থাকল। কারণ পড়তে পড়তে একটা জিনিস বুঝতে পারল: ট্যাক্স শুধু সরকারের টাকা তোলার হাতিয়ার না। ট্যাক্স হলো অর্থনীতির অদৃশ্য যন্ত্র।
৫
রাস্তা কে বানায়? সরকার। টাকা কোথা থেকে আসে? ট্যাক্স। হাসপাতাল? ট্যাক্স। স্কুলের শিক্ষকের বেতন? ট্যাক্স। পুলিশ? ট্যাক্স। সেনাবাহিনী? ট্যাক্স।
বাংলাদেশ সরকারের বার্ষিক বাজেট প্রায় সাত লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সংগ্রহ করে প্রায় চার লাখ কোটি। তিন ভাগে: ভ্যাট, ইনকাম ট্যাক্স, কাস্টমস ডিউটি। মোটামুটি এক-তৃতীয়াংশ করে।
চার লাখ কোটি টাকা। এই টাকার হিসাব কে রাখে? কে ক্যালকুলেট করে? কে ফাইল করে?
CA-রা। ট্যাক্স কনসালট্যান্টরা। অ্যাকাউন্ট্যান্টরা।
৬
রফিক সাহেব পরের Zoom কলে বললেন, "জাহিদ, তুমি কি জানো বাংলাদেশে কতগুলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে?"
"না, ভাই।"
"RJSC-তে রেজিস্টার্ড কোম্পানি প্রায় দুই লাখ। কিন্তু ট্রেড লাইসেন্সধারী ব্যবসা? দশ লাখের ওপরে। এদের প্রত্যেকের ট্যাক্স রিটার্ন দিতে হয়। আর CA কতজন? ICAB-এর সদস্য প্রায় দুই হাজার। ICMAB মিলিয়ে মোট হয়তো আট হাজার। দশ লাখ ব্যবসার জন্য আট হাজার পেশাদার।"
ম্যাসিভ গ্যাপ। এই গ্যাপ পূরণ করে ট্যাক্স কনসালট্যান্টরা। CA না, শুধু ট্যাক্স আইন জানে। কমার্সে গ্র্যাজুয়েশন, তারপর কোনো CA ফার্মে কাজ, তারপর নিজে বসে যায়। রিটার্ন ফাইলিং করে। প্রতি রিটার্নে পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা।
জাহিদ হিসাব করল। মাসে ত্রিশটা রিটার্ন, গড়ে সাত হাজার। মাসে আয় দুই লাখ দশ হাজার। কোনো ক্যাম্পাস ছাড়া। কোনো MBA ছাড়া। শুধু ট্যাক্স আইন জেনে।
কেন কেউ বলে না? কারণ "আমি ট্যাক্স কনসালট্যান্ট" বললে কেউ "ওয়াও" বলে না।
৭
জাহিদ ট্যাক্স ক্যালকুলেটর বানাতে শুরু করল।
ইনকাম ট্যাক্স স্ল্যাব। আয় যত বাড়ে, হার তত বাড়ে। প্রথম সাড়ে তিন লাখ করমুক্ত। তারপর ধাপে ধাপে পাঁচ, দশ, পনেরো, বিশ, পঁচিশ পার্সেন্ট। কিন্তু শুধু স্ল্যাব জানলে হয় না। বিনিয়োগ রেয়াত আছে। জীবন বীমার প্রিমিয়াম, প্রভিডেন্ট ফান্ড, সঞ্চয়পত্র। ছাড়ের হিসাবটা জটিল।
জাহিদ প্রতিটা নিয়ম কোডে লিখল। if-else-এর পাহাড়। রফিক সাহেব প্রতি সপ্তাহে রিভিউ করলেন। "এখানে surcharge-এর হিসাব নেই। নেট সম্পদ তিন কোটির বেশি হলে surcharge লাগে।" "মহিলা করদাতার ছাড়ের সীমা ভুল। চার লাখ, সাড়ে তিন না।"
প্রতিটা সংশোধনে জাহিদ নতুন কিছু শিখল। ট্যাক্স আইন শুধু আইন না, এটা একটা ভাষা। এই ভাষায় কথা বলতে পারলে একটা আলাদা জগৎ খুলে যায়।
তারপর ভ্যাট মডিউল। স্ট্যান্ডার্ড রেট পনেরো পার্সেন্ট, কিন্তু কিছু পণ্যে ট্রাঙ্কেটেড রেট, কিছু ভ্যাটমুক্ত। মাসিক "মূসক ঘোষণাপত্র" পনেরো তারিখের মধ্যে জমা। দেরি হলে জরিমানা।
জাহিদ বুঝল, এই পুরো সিস্টেমটা কাগজে-কলমে চলে। এক্সেল শিটে। কেউ কেউ খাতায়। NBR-এর অনলাইন সিস্টেম আছে, কিন্তু ধীর, জটিল, প্রায়ই কাজ করে না।
এখানেই সুযোগ।
৮
চার সপ্তাহে জাহিদ অ্যাপটা তৈরি করল।
লগইন পেজ। ড্যাশবোর্ড। আয়ের তথ্য ইনপুট ফর্ম। অটোমেটিক ট্যাক্স ক্যালকুলেশন। বিনিয়োগ রেয়াতের হিসাব। ভ্যাট ক্যালকুলেটর। রিটার্ন ফর্মের PDF জেনারেশন।
রফিক সাহেব দেখলেন। চুপচাপ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর বললেন, "এটা ভালো হয়েছে।"
CA-রা "ভালো হয়েছে" বললে সেটা অনেক বড় প্রশংসা। এরা সংখ্যার মানুষ। আবেগ কম।
তারপর বললেন, "কিন্তু আমি আরেকটা জিনিস খেয়াল করলাম। তুমি কোডিং জানো, ট্যাক্স বোঝো। বাংলাদেশে এই combination-এ মানুষ নেই।"
৯
কথাটা জাহিদের মাথায় ঢুকল। আর বের হলো না।
বাংলাদেশে যারা কোড লেখে, তারা ট্যাক্স জানে না। যারা ট্যাক্স জানে, তারা কোড লেখে না। দুটো জগৎ আলাদা। মাঝখানে কেউ নেই। জাহিদ সেই মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। ঘটনাক্রমে। একটা প্রজেক্ট নিয়েছিল $500-এর জন্য। সেই প্রজেক্ট তাকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে এসেছে যেটা সে কল্পনাও করেনি।
রফিক সাহেব $500 পেমেন্ট করলেন। Upwork-এর ফি কেটে জাহিদের হাতে এল $400। আটচল্লিশ হাজার টাকা।
কিন্তু টাকাটা বড় কথা না। বড় কথা হলো পরের কথাটা।
"জাহিদ, আমাদের আরো টুল দরকার। ইনভয়েসিং সিস্টেম। ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট। ডেডলাইন ট্র্যাকার। এগুলো কি তুমি বানাতে পারবে? আমরা regularly কাজ করতে পারি।"
Regular কাজ। একজন ক্লায়েন্ট যে বারবার ফিরে আসবে। ফ্রিল্যান্সিংয়ে এটাই সোনার খনি।
১০
জাহিদ সেই রাতে ভাবল।
এতদিন কী ধরনের প্রজেক্ট করেছে? পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট। ল্যান্ডিং পেজ। ছোটখাটো ই-কমার্স। এগুলোতে গভীরতা নেই। যে কোনো ডেভেলপার বানাতে পারে। প্রতিযোগিতা প্রচণ্ড। দাম কমে যায়।
কিন্তু ট্যাক্স সফটওয়্যার? যে কেউ বানাতে পারে না। ট্যাক্স আইন জানতে হয়। কোডিং + ডোমেন নলেজ = নিশ। নিশে প্রতিযোগিতা কম, দাম বেশি।
ফাইন্যান্সিয়াল সফটওয়্যারের জগৎটা কেমন? ইনভয়েসিং, বিলিয়ন ডলারের মার্কেট, FreshBooks, QuickBooks, Xero। পে-রোল, ADP-র রেভিনিউ $18 বিলিয়ন। অ্যাকাউন্টিং, Tally, Zoho Books।
বাংলাদেশে এই ধরনের সফটওয়্যার বানায় কতজন? গুগলে সার্চ করল। কিছু নাম এল। বেশিরভাগ পুরনো ধাঁচের। ডেস্কটপ সফটওয়্যার। উইন্ডোজ XP-র ইন্টারফেস। ক্লাউড-বেসড? হাতে গোনা।
কারণ ভালো ডেভেলপাররা কী বানায়? ই-কমার্স, সোশ্যাল অ্যাপ, ফুড ডেলিভারি। গ্ল্যামারাস জিনিস। কেউ অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার বানাতে চায় না। কারণ সেটা বোরিং।
১১
বোরিং। এই শব্দটাই চাবি।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি টাকা কোথায়? যেখানে সবচেয়ে কম গ্ল্যামার।
Certainty bias শুধু ক্যারিয়ার চয়েসে কাজ করে না। ব্যবসার ক্ষেত্রেও করে। সবাই exciting ব্যবসায় যায়। AI startup, fintech, edtech। কারণ এগুলো মিডিয়ায় আসে। ফান্ডিং পায়। LinkedIn-এ লাইক পায়।
কিন্তু বোরিং ব্যবসা? ট্যাক্স সফটওয়্যার, কমপ্লায়েন্স টুল, পে-রোল সিস্টেম? কোনো পার্টিতে আলোচনার বিষয় না। কিন্তু এগুলোই সবচেয়ে profitable। কারণ প্রতিযোগিতা কম, ক্লায়েন্ট ছাড়ে না, recurring revenue, আর প্রয়োজন কমে না। যতদিন ট্যাক্স আছে, ততদিন ট্যাক্স সফটওয়্যার লাগবে। ট্যাক্স কি কমবে? কোনোদিন না।
১২
রফিক সাহেবের সাথে দ্বিতীয় প্রজেক্ট শুরু হলো। ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। রেট $500। এবারে সময় কম লাগল। কারণ ট্যাক্স সিস্টেম এখন জানা। ডোমেন নলেজটা আগে থেকে আছে। শুধু কোড লিখলেই হলো।
এটাই নিশের শক্তি। প্রথম প্রজেক্টে শেখা। দ্বিতীয় প্রজেক্ট থেকে আয়।
আর CA ফার্মগুলো একটার সাথে আরেকটা কানেক্টেড। রফিক সাহেব তার পার্টনার সার্কেলে জাহিদের কথা বললেন। এক মাসের মধ্যে আরেকটা ফার্ম থেকে যোগাযোগ এল। "রফিক ভাই বললেন আপনি ট্যাক্স ক্যালকুলেটর বানিয়েছেন। আমাদেরও দরকার।"
রেফারেল। এই সেক্টরে সোনা। কারণ এই সেক্টরের মানুষ একে অপরকে চেনে। ICAB-র সেমিনারে দেখা হয়, CPD ইভেন্টে দেখা হয়। একজন বললে বাকিরা জানে। আর যে ডেভেলপার ট্যাক্স বোঝে, তাকে ছাড়তে কেউ চায় না।
১৩
জাহিদের নতুন প্ল্যান।
ফ্যান্সি না। কোনো pitch deck নেই। কোনো "disrupting the industry" নেই। কোনো "AI-powered" buzzword নেই।
বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো ফাইন্যান্সিয়াল সফটওয়্যার ডেভেলপার হওয়া।
কোনো ক্যাম্পাস নেই। কোনো গ্র্যাজুয়েশনের ছবি নেই। কোনো সাদা অ্যাপ্রোন নেই। শুধু একটা ল্যাপটপ। আর এমন জ্ঞান যেটা বেশিরভাগ মানুষ বোরিং মনে করে।
ট্যাক্স। ভ্যাট। ইনকাম স্ল্যাব। কাস্টমস ডিউটি। বিনিয়োগ রেয়াত। surcharge। উৎসে কর কর্তন। মূসক ঘোষণাপত্র।
শব্দগুলো শুনলেই ঘুম পায়। কিন্তু এই শব্দগুলোর ভেতরে লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের অর্থনীতির পুরো যন্ত্রটা। আর সেই যন্ত্রকে ডিজিটাল করতে পারে এমন মানুষ এই দেশে একমুঠো।
জাহিদ সেই একমুঠোর একজন হতে চায়।
১৪
বাইরে রাত গভীর। মফস্বলের রাস্তায় কোনো গাড়ি নেই। দূরে মসজিদের মিনার নীরব। সবাই ঘুমিয়ে গেছে।
জাহিদ ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে আছে। স্ক্রিনে রফিক সাহেবের ফার্মের ট্যাক্স ক্যালকুলেটর চলছে। যে অ্যাপটা সে বানিয়েছে। একটু আগে রফিক সাহেব মেসেজ দিয়েছেন: "Our clients are using it. They like it. Good job."
Good job।
জাহিদ হাসল। তারপর ল্যাপটপ বন্ধ করল।
কেউ কোনোদিন তাকে মোটিভেশনাল স্পিচ দেয়নি যে "ট্যাক্স সফটওয়্যার বানাও, জীবন বদলে যাবে।" কোনো ইউটিউবারের ভিডিওতে এটা ছিল না। কোনো ফেসবুক গ্রুপে এটা নিয়ে আলোচনা নেই।
কিন্তু কখনো কখনো সবচেয়ে ভালো পথটা সেটাই হয় যেটা নিয়ে কেউ কথা বলে না। কারণ সেখানে ভিড় নেই। কারণ সেটা দেখতে boring।
Boring is profitable। Glamorous is competitive।
জাহিদ এটা বুঝে গেছে। এটাই যথেষ্ট।